জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»
বাড়ির জরুরী কাজে ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা তুলে বাইরে আসার সাথে সাথে প্রতারকের খপ্পরে পড়েন কক্সবাজারের ঈদগাঁওর এক প্রসাবী স্বজন আলী আকবর (ছদ্মনাম)।
বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরের এ ঘটনায় প্রবাসীর স্বজন অজ্ঞান হলেও পালিয়ে বাঁচে প্রতারক চক্র। অল্প সময় ব্যয়ে লাখ টাকা নিয়ে উধাও হতে পেরে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবারও একই জায়গায় আসেন সেই প্রতারক চক্রের তিন সদস্য। কিন্তু ‘আলাদীনের চেরাগ’র ভিডিও ফুটেজ তাদের জন্য কাল হলো।
আগের দিনের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা সেই প্রতারকদের তিনজনকে জনতার সহায়তায় গ্রেফতার করেছে ঈদগাঁও থানার পুলিশ। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার গাড়ি এবং আগের দিন প্রতারণায় হাতিয়ে নেয়া টাকাও জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর ) বেলা দেড়টায় ঈদগাঁও বাস ষ্টেশন ইসলামী ব্যাংক চত্বর থেকে আটক তিন প্রতারকরা হলেন, মাদারিপুরের শিবচর থানার বহেরাতলা এলাকার মৃত লাল মিয়া ফকিরের ছেলে মো. খোকন (৫০), শিবচরের শিরুয়াইল ইউপির পূর্ব কাকুরার মৃত মফিজ উদ্দিন মাতব্বরের ছেলে মো. ফারুক (৪৮) ও ঢাকার সাভার থানার শিমুলিয়া গোয়ালবাড়ির মৃত ইসমাইলের ছেলে মো. সেলিম (৪৩)।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় খবর পাই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ইসলামী ব্যাংকের একজন গ্রাহকের তোলা এক লাখ টাকা ছলচাতুরীর মাধ্যমে লুট করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি ঈদগাঁও বাস স্টেশনের ব্যবসায়ী ফরিদুল আলমের মালিকানাধীন ‘আলাদিনের চেরাগ’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরার ধরা পড়ে।অতিসহজে এক লাখ টাকা হাতাতে পারায় এলাকার লোকজনকে বোকা টাইপের ভেবে আরো প্রতারণার আশায় ২৩ সেপ্টেম্বর উক্ত প্রতারক চক্র আবারো ঈদগাঁও বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় আসে। তারা আগের দিনের মতো ঘুরাফেরা করে ব্যাংকে আসা সহজসরল গ্রাহক খুজছিল। তাদের দেখে আগের দিনের ঘটনাটি জানা বাস স্টেশনের লোকজন ব্যবসায়ী ফরিদকে বললে তিনি আগের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে প্রতারক চক্রকে সনাক্ত করেন। এতে জনতা তাদের ঘেরাও করে পুলিশকে খবর দেয়। মূহুর্তে এসআই রেজাউল, শামীম আল মামুন, এএসআই রাসেল কাজীসহ পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে প্রতারকদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। তাদের কাছ থেকে বুধবার আত্মসাৎ করা টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রতারনা কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান ঈদগাঁও থানার ওসি।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












