চবি প্রতিনিধি »
‘মুজিব তুমি ঘুমাও শান্তিতে টুঙ্গিপাড়ার মাটিতে, তোমার খুনিদের ফাঁসি হচ্ছে সোনার বাংলার মাটিতে’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল ছাত্রলীগের আয়োজনে হলের সভা কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আইন বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী আহমদ নূরে সাদীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রলীগের নব মনোনীত সভাপতি রেজাউল হক রুবেল এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রেজাউল হক রুবেল বলেন, ১৯৪৭ সালের পর থেকে যত আন্দোলন হয়েছিলো, সকল আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আজও তার পরিবার বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তবুও বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উপর ২৪ বার হামলা হয়েছে। আমাদের ভিতরে এখনো অনুপ্রবেশকারীরা বিদ্যমান আছে।
তিনি বলেন, আমরা যদি সতর্ক না থাকি তাহলে বঙ্গবন্ধু হত্যার মত নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। কারন বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় সারাদেশে আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কেউ ছিলো না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুর জানাযায় মাত্র ১০জন মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাই সর্ব অবস্থায় সতর্ক থাকতে হবে আমাদের।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, আজকের এই শোকাবহ আগষ্টে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহিদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। এই বাঙালী জাতিকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। মানুষকে আপন করে নেওয়াই ছিলো তার কাজ। যখন একটি মহল বুঝতে পারলো এই শেখ মুজিব থাকলে বাংলাদেশকে দমিয়ে রাখা যাবে না। ঠিক তখনি একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলো।
তিনি বলেন, আমরা জানি কিভাবে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। আমরা এই আগষ্ট মাস থেকে পুনরায় শিক্ষা নিবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন তার সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়নেরই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে আমরা এগিয়ে যাবো।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, সুমন নাসির,সায়ন দাশ গুপ্ত, শরিফুল ইসলাম, পিয়াস সরকার, সাইদুল ইসলাম সাইদ, মেহেদী হাসান শাওন,হাফিজুল ইসলাম,শেখ রাশেদ হিরো, তুষার রায় ও শহিদুল আলম।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর












