লক্ষ্মীপুরে অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী জাহিদ হাসান রাব্বির মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে স্পিড ব্রেকারের দাবিতে ঘন্টাব্যাপী গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো জাহাঙ্গীর আলম মৃত্যু ও সড়ক অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের মডেল হাসপাতালের সামনে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাব্বি সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুর রশিদ হাওলাদার বাড়ীর নূর হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর কালবৈশাখী ঝড় ছিলো। ওইসময় বিদ্যুৎ ছিলো না। তখন মোটরসাইকেল আরোহী মোটক্কা মসজিদ এলাকা থেকে দক্ষিণ তেহমুনী দিকে আসছে। তার বিপরীতদিক থেকে দ্রুত গতিতে অটোরিকশা আসলে। মডেল হাসপাতালের সামনে দুইটি গাড়ি মুখোমুখি সংঘর্ষে বাঁধে। এতে ঘটনাস্থলে সিটকে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী প্রাণ হারান। পালিয়ে যান ঘাতক অটোরিকশা।
স্থানীয় ঔষুধ ফার্মেসী দোকানদার রনি ও বাসিন্দা মো. ফজলু বলেন, দক্ষিণ তেহমুনী থেকে মডেল হাসপাতাল এলাকা পর্যন্ত একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সবসময় এখানে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস পূর্বে মার্কাজ মসজিদ এলাকায় একটি শিশু মারা যায়। এজন্য এলাকায় দুইটি স্পিড ব্রেকার খুব জরুরি। এজন্য বিক্ষুব্ধ জনতা গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে।
লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সড়ক দূর্ঘটনাটি খুবি দুঃখ জনক। আমরা উধ্বর্তন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে দ্রত স্পিড ব্রেকারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার (ওসি-তদন্ত) ঝলক মহন্ত বলেন, লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়েছে। স্পিড ব্রেকারের বিষয় সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।












