বাংলাধারা প্রতিবেদন »
আগামী ৬ ডিসেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর সপ্তম আসর। শনিবারই তারিখ ঘোষণা করে বিসিবি। কিন্তু এই আসরে খেলছে না আগের আসরে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ফ্রেঞ্চাইজি চিটাগং ভাইকিংস। ফ্রেঞ্চাইজিটির মালিকানায় থাকা ডিবিএল গ্রুপ সরে দাঁড়ানোয় নতুন আগ্রহী খুঁজতে দরপত্র দিয়েছে বিসিবি। বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘উনারা কন্টিনিউ করবে না। ডিবিএল গ্রুপ নামে যেটা ছিল তারা কন্টিনিউ করবে না। আজ এক্সপ্রেশনাল ইন্টারেস্ট দেওয়া হয়েছে। নতুন কেউ নিলে চট্টগ্রামের দল অন্য কোন নামে আসতে পারে। ’
চলতি বছর বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসরে দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। ডিবিএল গ্রুপের সরে দাঁড়ানোর কথা নিশ্চিত করেছেন তিনিও, ‘ওরা তো মালিকানা ছেড়ে দিছে। ওরা করবে না। এখন আমরা তো জবলেস। এখন নতুন ফ্রেঞ্চাইজি এলে নতুন নামে হতে পারে।’
২০১৫ সালের বিপিএলের তৃতীয় আসর থেকে চট্টগ্রামের ফ্রেঞ্চাইজি হিসেবে চিটাগং ভাইকিং দল পরিচালনা করে আসছিল ডিবিএল গ্রুপ। তিন আসরে অংশ নেওয়ার পর ফ্রেঞ্চাইজি ক্রিকেটের সবচেয়ে ঝমকালো আসর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিল ফ্রেঞ্চাইজিটি। নিয়ম অনুযায়ী নতুন কেউ আগ্রহী হলে তাদের কাছে চট্টগ্রামের ফ্রেঞ্চাইজি বিক্রি করতে পারবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। সেক্ষেত্রেও চিটাগং ভাইকিংস নামটি থাকবে না।
২০১২ সালে বিপিএলের প্রথম আসরে অংশ নেয় ছয় দল। ২০১৩ সালে রংপুর রাইডার্স যুক্ত হলে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতে। ২০১৫ সালে তৃতীয় আসরে আবার মালিকানা ছেড়ে দেওয়ায় অংশ নেওয়া হয়নি খুলনার, সেবারই যুক্ত হয় নতুন ফ্রেঞ্চাইজি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
২০১৬ সালে চতুর্থ আসরে খুলনা টাইটান্স নামে নতুন ফ্রেঞ্চাইজির হয়ে ফিরে আসে খুলনার দল। সেই আসরে একই সমস্যার কারণে অংশ নিতে পারেনি সিলেটের কোন দল। ২০১৭ সালে সিলেট সিক্সার্স ফিরলেও নানা জটিলয়ায় বাদ যায় বরিশালের ফ্রেঞ্চাইজি। চলতি বছরের শুরুতে হওয়া ৬ষ্ঠ আসরেও ছিল না বরিশালের কোন দল। এবার চট্টগ্রামের ফ্রেঞ্চাইজি শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত না হলে বিপিএল গড়াতে পারে ছয় দল নিয়ে।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম/আরইউ












