জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার »
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেছেন, প্রকৃত ভূমি মালিকদের হাতেই অধিগ্রহণের টাকা তুলে দেওয়া হবে। তাই ভূমি মালিকরা কেউ দালালের শরণাপন্ন হবেন না। সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। জমির মালিকানা নিশ্চিত হলেই ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়ে যাবেন।
ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম-দুর্নীতি এবং জনহয়রানি বন্ধে শনিবার (৩ সেপ্টম্বর) চকরিয়া মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালি হতে বদরখালি ব্রিজ পর্যন্ত নির্মিতব্য সড়কের জমি মালিকদের সাথে চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত সচেতনতামূলক সভায় তিনি আরও বলেন, মহেশখালীতে সরকারির উন্নয়নের মহাযজ্ঞ চলছে। তাই মাতারবাড়ি বন্দরকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত করতে সড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রথম পর্যায়ে চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালি থেকে বদরখালি ব্রিজ পর্যন্ত ২৪৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন-২০১৭ এর ৪ ধারা অনুযায়ী ভূমি মালিকদের কাছে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা স্বাক্ষরিত নোটিশও জারী করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিক যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সভায় সড়ক নির্মাণের ফলে কৃষি কাজে ব্যবহৃত পানি প্রবাহে যেন বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখার দাবী জানান কৃষকরা। একই সাথে খাস জমিতে বসবাসকারীরাও যেন ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত না হয় বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান স্থানীয়রা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কৃষকের বিভিন্ন বক্তব্য শোনেন এবং তাদের দাবিগুলো যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
চকরিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা, চকরিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত উজ জামান, চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল চৌধুরী, ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিনসহ ভূমি মালিকগণ।












