পটিয়া প্রতিনিধি »
পটিয়ায় জিরি ইউনিয়নে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষিত হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে উপজেলার জিরি ইউনিয়নে ৭ নং ওয়ার্ড জৈনক আকিয়া বাপের বাড়ির থানা মহিরা স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর এই ছাএী ধর্ষণের স্বীকার হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাএীর বাবা জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে একই এলাকার মোঃ তৈয়ব এর ছেলে মোঃ আরমান,মোঃ ইমরান এর বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সুএে জানাগেছে, জসিম তার স্ত্রী রুবিকে নিয়ে তাদের ফুফাত ভাইয়ের মেয়ের গায়েহলুদ অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়িতে ফিরে তাদের নিজ রুমে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় তাদের দুই মেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিন্তু রাত ২ টার সময় মেয়েটির মা রুবি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য ঘর থেকে বাহির হয়ে বাথরুমে যাওয়ার সময় গিয়ে দেখে তাদের বড় মেয়ে তার নিজ রুমে নেই। বিষয়টি রুবি তার স্বামী জসিমকে জানালে তারা দুইজনে মিলে এলাকার লোকজনকে নিয়ে তাদের বড় মেয়েকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি করতে থাকে।
অনেকক্ষন খুঁজাখুঁজির একপর্য়ায়ে জসিমসহ এলাকার লোকজন দেখতে পায় তাদের মেয়ে নুরুল আমিন নামে এক ব্যাক্তির বসত ঘরের ফাঁকা জায়গায় রক্তাক্ত অবস্তায় পড়ে আছে।
এমন অবস্থায় তারা আশপাশের লোকজনের সহতায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশংকাজনক বলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে।
বর্তমানে মেয়েটি চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তার পিতা জসিম জানান। তিনি আরো জানান, তার মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে আরমান ও ইমরান জোরপুর্বক মুখ চেপে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে।
এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ওসি মোঃ বোরহান উদ্দিন জানান, ধর্ষণের দায়ে ২ জনের বিরুদ্বে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান পরিচালনা করছে।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর












