বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীতে ডেঙ্গু মোকাবিলায় মশা নিধন এবং এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগসহ স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দপ্তর সমন্বিতভাবে এই কর্মসূচি শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (০৮ আগস্ট) সকালে নগরীর নন্দনকাননে অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফগার মেশিনে ওষুধ ছিটিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। একইসঙ্গে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডেও এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
মেয়র জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক কার্যক্রম চালানোর জন্য সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বন্ধের সময়ও এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সারাবছর এডিস মশার বিরুদ্ধে কার্যক্রম চলবে।
নগরীতে বসবাসরত সকল নাগরিককে যার যার অবস্থান থেকে এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে সচেতনভাবে কাজ করারও আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, আমরা সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সকল সরকারি সংস্থা একযোগে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে পুরো নগরীতে এই প্রোগ্রাম চলবে।
আমরা নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। এডিস মশার বিরুদ্ধে সবাই মিলে যদি যুদ্ধ করি, তাহলে এডিসমুক্ত নগরী গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
মেয়র বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে। ঈদের জন্য বাসায় তালা দিয়ে অনেকে বাড়িতে চলে যাবেন। বন্ধের সময় বাসাবাড়ি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতে স্বচ্ছ পানি, আবর্জনা জমে এডিস মশার উৎপত্তি না হয়, সেদিকে আমরা সচেষ্ট থাকব।
আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বন্ধের সময়ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গিয়ে কাজ করবেন। বাসাবাড়িতেও কাজ করবেন। ঈদের সময় নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে লোকজন চট্টগ্রাম নগরীতে ঈদ করতে আসবেন। অনেকে হয়ত শরীরে ডেঙ্গুর জীবাণু বহন করছেন।
এসময় আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। চট্টগ্রামে এসে আক্রান্ত অনুভব করলে সাথে সাথে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। তবে আক্রান্ত হলেই আতঙ্কিত না হয়ে বিশ্রাম নিলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. তৈয়ব আলী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার, কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম, শৈবাল দাশ সুমন, সলিমুল হক বাচ্চু এবং নীলু নাগ প্রমুখ।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম/আরইউ












